কুষ্টিয়ার আলোচিত কথিত পীর শামীম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি রাজীব মিস্ত্রীকে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫, রাজশাহী ও র্যাব-১২, কুষ্টিয়া।
র্যাব জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার থানা রোড এলাকার নাসিম হেয়ার ড্রেসারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার রাজীব মিস্ত্রী (৩২) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর এলাকার গাজী মিস্ত্রীর ছেলে।
মামলার বাদী মো. ফজলুর রহমান (৬৮) নিহত শামীম জাহাঙ্গীরের বড় ভাই। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শামীম জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করতেন। পরে এলাকায় ফিরে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। গত ১০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এর জেরে ১১ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে ৪ জন নামীয় আসামিসহ ১৮০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দৌলতপুরের দক্ষিণ ফিলিপনগরে শামীমের আস্তানায় হামলা চালায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা শামীম জাহাঙ্গীর ও তার দুই অনুসারীকে মারধর করে এবং আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর ১৩ এপ্রিল দৌলতপুর থানায় ৪ জনকে নামীয় ও ১৮০-২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দৌলতপুর থানার মামলা নম্বর ৩৬/১৬২ হিসেবে রুজু করা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান শুরু করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় রাজীব মিস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজীব মিস্ত্রী ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার থানা রোড এলাকার নাসিম হেয়ার ড্রেসারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার রাজীব মিস্ত্রী (৩২) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর এলাকার গাজী মিস্ত্রীর ছেলে।
মামলার বাদী মো. ফজলুর রহমান (৬৮) নিহত শামীম জাহাঙ্গীরের বড় ভাই। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শামীম জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করতেন। পরে এলাকায় ফিরে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। গত ১০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এর জেরে ১১ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে ৪ জন নামীয় আসামিসহ ১৮০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দৌলতপুরের দক্ষিণ ফিলিপনগরে শামীমের আস্তানায় হামলা চালায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা শামীম জাহাঙ্গীর ও তার দুই অনুসারীকে মারধর করে এবং আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীম জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর ১৩ এপ্রিল দৌলতপুর থানায় ৪ জনকে নামীয় ও ১৮০-২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দৌলতপুর থানার মামলা নম্বর ৩৬/১৬২ হিসেবে রুজু করা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান শুরু করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় রাজীব মিস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজীব মিস্ত্রী ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :